টোরাকোড ডেভেলপার্স নেটওয়ার্ক

বাংলাদেশ চাকরির ইন্টারিভিউ দেয়ার সময় ইন্টারভিউয়ার আপনার সাথে কি কি আপেশাদার আচরণ করেছে?

ইন্টার্ভিউ
হয়রানি
(Rajib Hasan) #1


বাংলাদেশে জব ইন্টার্ভিউয়ের ক্ষেত্রে অনেক ঝক্কি ঝামেলার কথা শুনি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে হয়রানির কথাও শোনা যায়।
আপনার ক্ষেত্রে এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেছে? আপনার অভিজ্ঞতা শুনতে চাই।

0 Likes

(Sayem Hossain) #2

বাংলাদেশে জব মার্কেটে সাধারনত যে সমস্যাটা সবচেয়ে বড়, সেটা হচ্ছে স্যালারি খুবই কম।
অনেক কোম্পানির সার্কুলারে দেখবেন, স্যালারির স্থানে নেগোশিয়েবল লেখা থাকে। যদিও ফেসবুকে বিভিন্ন জবের গ্রুপগুলোতে এখন স্যালারি রেঞ্জ বাধ্যতামূলক করা হয়, তারপরেও এ ধরনের জব সার্কুলার আসতে থাকে। এছাড়া bdjobs এ য্যতগুলো জব সার্কুলার আছে তার ৯০% এ স্যালারি রেঞ্জ দেয়া থাকে না।

এ ধরনের একটা বিড়ম্বনায় পড়েছিলাম আমি নিজেও। জব সার্কুলারে যে ধরনের এক্সপেরিয়েন্স এবং পোর্টফোলিও চেয়েছিল সেটা দেখে যে কেউ ভাবতে বাধ্য যে স্যালারি হাই না হলেও অ্যাট লিস্ট বাংলাদেশের মার্কেট অনুযায়ী মডেস্ট হবে।

ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগে কোম্পানির প্রোফাইলও ঘেটে দেখলাম, পজিটিভও মনে হল।
তবে কোম্পানির নামটা প্রকাশ করছি না, প্রোফেশনালিজমের খাতিরে।

নির্দিষ্ট দিনক্ষনে ইন্টারভিউ দিতে গেলাম। সবকিছু ভালোই যাচ্ছিল। কিন্তু আমার সালারি এক্সপেক্টেশন শুনে মনে হল তাদের মাথায় বাজ পড়ল।

তারা তাদের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার পজিশনের জন্য খুবই কম পে করে। ২০-৩০ এর মত সর্বোচ্চ। অথচ এক্সপেরিয়েন্স চেয়েছে অ্যাট লিস্ট ৩ বছর। শুনে মাথা গরম হলেও প্রোফেশনালিজমের খাতিরে কিছু বলিনি। তবে শেষ হয়ে যাওয়ার পূর্বে তাদের একটা কথা শুনে নিজেকে ঠিক রাখা বেশ কষ্টকর বলে মনে হচ্ছিল।

“বাংলাদেশের মার্কেট অনুযায়ী এই স্যালারি খুব কম না।”

এটা আনপ্রোফেশনালিজম কিনা জানি না, তবে নেগোশিয়েবল স্যালারির পাল্লায় ফেলে একটা মানুষের যাওয়া আসার পরিশ্রম, টাকা, সময়, মানষিক প্রিপারেশন ইত্যাদি নষ্ট করে এভাবে প্রতারনা করাটা আনপ্রোফেশনালিজম যদি নাও হয়, অনৈতিকতো বটেই।

0 Likes